আমরা কারা?
joa 9 শুধু একটা বেটিং ওয়েবসাইট না। এটা একটা প্ল্যাটফর্ম যেটা বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা, বিনোদনের রুচি আর মোবাইল-কেন্দ্রিক ডিজিটাল অভ্যাসকে কেন্দ্রে রেখে তৈরি। আমাদের টিম বুঝেছিল যে দেশের বেশিরভাগ মানুষ কম দামের Android ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন – তাই আমরা এমন একটা প্রোডাক্ট বানিয়েছি যেটা ধীর নেটওয়ার্কেও মসৃণভাবে চলে।
২০১৮ সালে যখন joa 9 যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বলতে বেশিরভাগ মানুষ বুঝতেন ইংরেজি ইন্টারফেসের জটিল ওয়েবসাইট। পেমেন্ট করতে হতো ডলারে, বাংলায় কোনো সাপোর্ট ছিল না। joa 9 সেই ব্যবধান পূরণ করতে এসেছে – সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস, Mobile Pay ও Nagad-এর মাধ্যমে সহজ টাকা জমা-তোলার সুবিধা, আর বাংলাদেশি সময় অনুযায়ী সাজানো ইভেন্ট ক্যালেন্ডার।
আমাদের মিশন
joa 9-এর মিশন একটাই – বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং বিনোদনমূলক বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক তথ্য ও সীমার মধ্যে খেললে বেটিং নিছক একটি বিনোদন – একটা ক্রিকেট ম্যাচ দেখার মতোই।
কী দিয়ে আলাদা আমরা?
বাজারে অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলো বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় না রেখেই সার্ভিস দেয়। joa 9 আলাদা কারণ এখানে সব কিছু লোকাল ব্যবহারকারীর কথা ভেবে ডিজাইন করা হয়েছে। ক্যাশব্যাক অফারগুলো বাংলাদেশের জাতীয় ছুটির দিনে আসে, লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলা যায়, আর ডিপোজিটের জন্য ডলার কিংবা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন নেই।
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা
joa 9 একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্ল্যাটফর্ম। সব লেনদেন SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। ব্যবহারকারীর তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। আমাদের গেম ইঞ্জিন স্বাধীন অডিটরদের দ্বারা পরীক্ষিত, যাতে প্রতিটি ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকে।
দায়িত্বশীল গেমিং
আমরা মনে করি মজার সীমা থাকা উচিত। তাই joa 9-এ ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুলস আছে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য এই প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন – joa 9 সবসময় এটাই উৎসাহিত করে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আগামী দিনে joa 9 আরও বেশি লোকাল স্পোর্টস কভার করার পরিকল্পনা করছে – বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ এবং জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট। এর পাশাপাশি ভয়েস-সাপোর্ট ও লো-এন্ড ডিভাইসের জন্য লাইট ভার্সনও আসছে শীঘ্রই।